ঢাকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(Dhaka থেকে পুনর্নির্দেশিত)
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
Dhaka.jpg Bangladesh COA.gif
ঢাকা

ঢাকা (Dhaka) হলো বাংলাদেশের রাজধানী। ঢাকাকে সর্বপ্রথম চামে বাংলার রাজধানী করা হয় খৃষ্টপূর্ব ৯০০০০০ সালের দিকে। কিন্তু তখন ঢাকার নাম কি ছিল আমরা জানতে পারি না, কারণ ততদিনে লিপি আবষ্কৃত হয় নাই। তাই ঢাকার নামকরণ নিয়ে নানা মহলে নানান মতা মত রয়েছে। বিশিষ্ট্য অইতিহাসিক হাসিম আমলা, মনে করেন ঢাকার নারীগণ অতি প্রাচীন কাল হইতে হিজাব ও বুরকা পরিধান করতেন। এবং পুরুষগনও সদর ঢাকিয়া রাখতেন। ফ্যাশনের এই হাল দেখে আশে পাশের জনগণ ঢাকাবাসীকে 'ঢাকা লুক' বলতেন। এই থকেই এই জনপদের নাম হয়ে যায় ঢাকা। অন্যদিকে ছাবল্টান অইতিহাসিক গঊতম ভর্দ মনে করেন, ঢাকার নামকরণের পিছনে ঢাকার ট্রাফিকের একটি বিরাট অবদান রয়েছে। তিনি বলেন, "ঢাকার ট্রাফিক লড়ে না, অইডারে ধাক্কায়া ধাক্কায়া চালাইতে হয়, তাই ঢাকার আদি নাম ছিল ধাক্কা নগর, কিন্তু লোকমুখে উচ্চারণ বিবর্তনের ফলে এই ধাক্কাই ঢাকা হয়া গেসে" কিন্তু এই বক্তব্যের বিরুদ্ধে, মন্তাছির বামন তেব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ঢাকা নামটি কোন উশ্চারণ বিভ্রাটের ফলে হয় নাই। তিনি বলেন অতি প্রাচীন কাল থেকেই, ঢাকায় কারেন্ট নাই, ঘুট-ঘুটা অন্ধকার, তাই দূর থেকে ঢাকাকে দেখলেই মনে হইত উহা কিছুর দ্বারা ঢাকা। এই থেকেই এলিয়েনরা এই জনপদের নামকরণ করে 'ঢাকা' হিসেবে।

ভূগোল[সম্পাদনা]

ঢাকা গোল না,তাই এর ভূগোল নাই।নামে ঢাকা হলেও ইহা খোলামেলা।

বর্তমান ঢাকা[সম্পাদনা]

বর্তমান বা অতীত ঢাকা বলে কিছু নাই। ঢাকা দুই খানা উত্তর ও দক্ষিন। অদূর ভবিষ্যতে যে পূর্ব-পশ্চিম হবেনা এই নিশ্চয়তা দেয়া সম্ভব নাহ।

স্থানীয় সরকার[সম্পাদনা]

বিশ্বাস করেন পুরাটাই স্থানীয়,বাইরের কোন শক্তি নাই এখানে।আমার দাদা বলেছিলেন নাকি কয়েক শতাব্দী পর পর নাকি নগরকর্তা নির্বাচন হয়।তার দাদা নাকি ওই নির্বাচনে ভোট দিয়েছিলেন।

যাতায়াত[সম্পাদনা]

ঢাকার বাসিন্দাদের প্রধান চলাচল মাধ্যম হল মুড়ির টিন।ইহা এক প্রকার বাহন যা শুধু ঢাকাতেই দেখা যায়।ঢাকার বাহিরে মফঃস্বলে ইহার নানা সংস্করণ চলে।ঢাকার বিখ্যাত জ্যামে রিক্সার গুতা খাইতে খাইতে ইহা চলে।ভুলে গেসিলাম,ঢাকায় রিক্সা নামক আরেক খানা বাহন আছে।অলিতে গলিতে চায়ের দোকানের সামনেও ইহাকে দেখা যায়।

নাগরিক পরিসেবা[সম্পাদনা]

এরকম দুঃসাহসিক কর্মকান্ড এখানে নাই। নাগরিকত্বর কোন বেল নাই এইখানে! "জোর যার মুল্লুক তার" এই কায়দায়ই ঢাকা শহড় ঢেকুর তুলতে তুলতে চলতেছে। এই বিখ্যাত রাজধানীতে অনেক দেশের নাগরিকরা আসে কিন্তু ফিরে যাবার সময় তাদের অতীত অস্তিত্বের কোন কিছুই বিদ্যমান থাকেনা। সবই ঢাকিয়া তারা পূর্ববত ফিরিয়া যায় কিন্তু ঢাকার নাগরিক সেবার দুঃসাহসিকতার স্বপ্নে প্রায়শঃই কাইন্দা দেয় আর মনে মনে নিজের প্রশংসা করে যে, আমি একটা জীব, যে কিনা ঢাকার মত শহড়ে খুল্লামখুল্লা জীবন যাপন করেছি। এই শহড়ের একটা বিখ্যাত গোল জিনিষ হচ্ছে ম্যান হোল যা কিনা অন্য বিশ্বে মানুষকে ততক্ষনাত লুকাইয়া যাইতে মোটেই সাহায্য করেনা কিন্তু ঢাকা শহড়ের ম্যান হোল সত্যিকারের ব্ল্যাকহোলের মতই মানুষ কে আচমকা গায়েব করে ফেলে। বিশেষত বন্যা বা বৃষ্টির দিনে অনেক প্রেমিক প্রেমিকাও এই ম্যানহোলের ভয়ে হাত ধরিয়া চলতে চায়না কারন আচমকা একজনের জন্য দুইজনই গায়েব হওয়ার তো কোন মানে নাই! এই শহড়ের মানুষ ফুটপাত থাকলেও সেখানে হাটতে পারেনা। তবে সেখানে মটোর সাইকেল চলে। তবে দোকান-পাটে ভর্তি এই ফুটপাত সাধারন নাগরিকেরা ব্যবহার করেনা। তারা রাস্তার একাংশ লইয়াই হাটে নিজের রাস্তা মনে করে। এমনকি এই শহড়ের মানুষ ফুট ওভার ব্রীজও ব্যবহার করতে নারাজ! তাহারা রাস্তার আইল্যান্ডের চোখা চোখা দেয়াল পার হইয়া রাস্তার ওপারে যাবে কিন্তু ফুট ওভার ব্রীজ দিয়ে কোনভাবেই পার হবেনা। এক্ষেত্রে যুক্তিযুক্তভাবেই ঐসব ফুট ওভার ব্রীজ টুথব্রাশ বিক্রেতা আর ফটকা জ্যোতিষদের দখলে। ঢাকা শহড়ের নাগরিকদের নিয়ে ঢাকা শহড়ের কোন রকম দুঃচিন্তা নাই! ঢাকা শহড় জানে তার মত ঢেকুর তুলতে তুলতেই এই সব নাগরিকরা এক এক সময় ঢাকা ছাইড়া পালাইয়া বাঁচবে।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

সবাই বড়লোক।

জনগোষ্ঠী[সম্পাদনা]

মানুষ,কাক,কুকুর ব্যাতিত কোন প্রাণী নাই।সঠিক জনসংখ্যা কেউ জানেনা।আনুমানিক মানুষঃকুকুরঃকাক=৩:১:২।

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

জলন্ত জলিল আর ছাকিব খান আমাদের সংস্কৃতি।(বছ মঢেল আরিপ খান, মুরাদ টাকলা এর কথা বলা লাগবো নাকি)

শিক্ষা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

ভার্সিটি?ঢাকার কোন গলিতে ইহা নাই!...(সত্যি না থাকলে যোগাযোগ কর, একখান দেয়া যায় কিনা দেখি)

গণমাধ্যম[সম্পাদনা]

প্রুথুম্মালু,আমার দেশ(পাকিস্তান) দুই মাত্র গণমাধ্যম। এ টি এন বাংলা আছে একখান...এটাতে কি দেখায় বলা লাগবো কি?

খেলাধুলা[সম্পাদনা]

ঢাকায় অনেক স্টেডিয়াম আছে।সেখানে গিয়ে সবাই ক্রিকেট খেলা দেখে।আর ফুটবল?ওইটা আমরা ঢাকাবাসি টিভি তে দেখি।

ঢাকার দর্শনীয় স্থানসমূহ[সম্পাদনা]

বুড়িগঙ্গা নদী।মাম্মা...উহাতো বিছাল ছোন্দরজ।আর আছে বোটানিক্যাল গার্ডেন...উহা আরেক প্রকার ছোন্দরজ। :p

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]