রংপুর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

বাংলাদেশের মফিজ এলাকা বলে পরিচিত রংপুরের অবস্থান ক্ষুধা আর দারিদ্রের মাঝে। এখানকার মানুষেরা সাধারণত মফিজ নামে পরিচিত। অল্পবুদ্ধি এবং কান্ডজ্ঞানহীন মানুষের এলাকা রংপুর যেতে হয় যমুনা সেতু ওরফে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে। সেতু হবার আগে রংপুর যাওয়াটা বেশ কঠিন ছিল। সেতু হবার পর রংপুর যাওয়াটা বেশ সহজ হয়ে গেছে। তবে অন্য একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। সেতুর সুবিধা নিয়ে রংপুরের মফিজরা সারা বাংলাদেশে, বিশেষ করে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

রংপুরের অফিস আদালত[সম্পাদনা]

রংপুরের সবই আছে। যত রকমের অফিস চান তার সবই রংপুরে আছে। নাই শুধু কামের লোক। রংপুরের জমিদারবাড়ীতে যেয়ে দেখবেন হাইকোর্টের বেঞ্চও সেখানে ছিল। এরশাদ চাচ্চু বানাইছিল। কিন্তু পরবর্তী সরকারগুলির গোয়ার্তুমিতে এখন রংপুরের লোকজনের উচ্চ আদালতে মামলা চালাইতে যাইয়া বাস ভাড়া, বাড়ী ভাড়া দিয়া ঢাকা আসতে হয়। এতে রংপুরের মঙ্গাপীড়িত অর্থনীতিতে বেশ চাপ পড়ে।

রংপুরের দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

রংপুরের নাম নিলে নাম নিতে হয় বেগম রোকেয়ার। পায়রাবন্দে অবস্থিত বেগম রোকেয়ার বাসস্থান বা বসতভিটা দেখতে গেলে টাস্কি খাইবেন। মহাস্থানগড়ের ধ্বংসস্তুপও এর থেকে ভাল অবস্থায় আছে। বেগম রোকেয়া অনেক আগেই কলিকাতায় বসত গাড়ছিলেন বাংলাদেশের টাট্টিবাট্টি রেখে। উনার বসতবাড়ী দেখতে গেলে কমপক্ষে দুইশ টাকা রিকশা ভাড়া বরাদ্ধ রাখবেন। আর আফসুস খাওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি রাখবেন। এবং সবশেষে টাস্কি খাওয়ার প্রস্তুতি রাখবেন। উনার বসতবাড়ী দেখার পর হীনমন্যতায় ভোগা আবশ্যক। কারণ আপনার তখন মনে হবে, এই এক অজ পাড়া গায়ে, শত বর্ষ আগে, বৈদ্যুতিক বাতি ছাড়া এক মহিলা সমাজের জাল ছিন্ন করে সারা বাঙ্গালী জাতীকে, বাঙ্গালী নারী জাতীকে যা দিয়েছেন, আপনি ঢাকায় বসে তার কানাকড়িও দেন নি। বেগম রোকেয়ার তুলনায় আপনার নিজেকে একজন বালস্য বাল হরিদাস পাল মনে হওয়া বাঞ্চনীয়।

রংপুরের খাবার দাবার[সম্পাদনা]

রংপুর মঙ্গাপীড়িত হবার কারণে খাবার দাবারের দিক দিয়ে খুব উন্নত নয়। তবে হোটেলে বদমাশ বেটারা দাম কম রাখে না। রংপুরের হোটেলগুলোতে, বিশেষ করে ছাপড়া হোটেলগুলোর জিলাপী বেশ ভাল। পেট খারাপ হবার সম্ভাবনা নাই বললেই চলে।

পরবর্তীতে যে এই পাতাখানা এডিট করবেন আমার জন্য পাতার শেষে "মন্তব্য করুন" নামক প্যারাগ্রাফে কিছু বলে যেয়েন।