বগুড়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

ভিনগ্রহের প্রাণীদের আক্রমণে ধ্বংস হয়ে যাওয়া দেশের এক সুপ্রাচীন ও সমৃদ্ধ জনপদ হল বগুড়া । এককালে মিল্কিওয়ের রাজধানী নামে পরিচিত এ নগরটি খ্রিস্টপূর্ব ১৩০০ বঙ্গাব্দে মহাবীর থরের আঘাতে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায় । ফিনিক্স পাখির ন্যায় বারবার মাথা তুলে দারাবার কথা থাকলেও বিরোধী দলের চক্রান্তে তা আর সম্ভব হয় নাই । যদিও এ বিষয়ে ভিন্নজনের ভিন্নমত পাওয়া যায় । কেউ কেউ বলেন খ্রিস্টপূর্ব ১৩০০ বঙ্গাব্দে নয় বরং খ্রিস্টপূর্ব ১১০০ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত নগরটি টিকে ছিলো । তবে খ্রিস্টপূর্ব ১১০০ বঙ্গাব্দে সংঘটিত থর আর লকির দ্বিতীয় ক্রুসেডে বগুড়া তার যাবতীয় গর্ব সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে ফেলে এবং ইতিহাসের ময়লা পাতায় চিরদিনের জন্য স্থান করে নেয় ।

প্রশাসন ও নগর কাঠামো[সম্পাদনা]

বগুড়ার শাসনপ্রণালী ছিল মূলত ফেডারেশন নির্ভর । তবে শাসকগন কঠোরভাবে ইহা নিশ্চিত করতেন বগুড়া যেন কোনোভাবেই কল্যাণকামী ফেডারেশন না হয়ে পড়ে । এ ক্ষেত্রে তাদের মন্ত্রটি ছিল ডিভাইড এন্ড রুল । ইতিহাস থেকে জানা যায় প্রথম ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে আলাদা করেন বগুড়ার নবাব ত্রয়োদশ আলেকজান্দার । যদিও জনতার চাপে দুবছর পর আবার জুরে দিতে বাধ্য হন । ইতিহাসে এটি ইউরোপভঙ্গ নামে পরিচিত । যদিও এটি পূর্বের অর্থনৈতিকভাবে অনুন্নত মানুষের জন্য মুক্তির সনদ হিসেবে এসেছিল, আপন স্বার্থের কথা বিবেচনা করে বিশ্বরবি কবিন্দ্রনাথ ঠাকুর এর বিরোধিতা করেন ।

বগুড়া ফেডারেশনের আন্ডারে ছিল এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিন আমেরিকা, অস্ত্রেলিয়া, ও ওশেনিয়া । তবে নোয়াখালী মহাদেশ দীর্ঘদিন তার স্বাতন্ত্র্য ধরে রাখতে সক্ষম হয় । মোটামুটি খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ সাল পর্যন্ত এটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে তার অস্তিত্ব বাজায় রাখে ।

বগুড়ার শাসকগন ছিলেন গনতন্ত্রমনা । তারা শুদ্ধ পুলিশ্তন্ত্রের চর্চা করতেন । ankkdfSFMKJ

নগরায়ন[সম্পাদনা]

বগুড়া শহরে ওইরকমই নগরায়ন যেমন বাংলাদেশের বাকি শহর গুলার। গাস কাটো বিল্ডিং তোলো ... এইটাই হল সিস্টেম ।--Emo&n ১৮:০০, ১০ জুন ২০১১ (UTC)